দ্বীন ইসলাম কি শান্তির ধর্ম?
বিষয়টির উত্তর ভাসা ভাসা স্পষ্ট। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী ধর্মের সাথে মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার মতো বিষয়কে কোরআন ও হাদিসের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে ধর্মকে বিকৃত করেছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ, জিহাদের মতো শব্দ।
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকেই গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের দাবিতে সরব হতে থাকে কিছু ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিক গোষ্ঠী। জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মতো মৌলবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যুক্ত হয় হিযবুত তাহরির, আনসার আল ইসলাম এবং হরকাতুল জিহাদের মতো নিষিদ্ধ জঙ্গি/চরমপন্থী সংগঠনগুলো। এদের সকলের উদ্দেশ্যই ছিল এক ও অভিন্ন।
এ দেশের মানুষ যতটা না ধর্মপ্রাণ, তার চেয়েও বেশি ধর্মান্ধ। এর ফলে জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও চরমোনাইয়ের মতো উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো আরবের জাহেলিয়াতের মতো একটি অন্ধকার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে।
যেখানে নারীদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখা হবে, মসজিদ, মাদ্রাসাগুলোতে আল্লাহর নামে বলাৎকার করা যাবে, শরিয়াহ আইন চাপিয়ে দিয়ে জাতীয় সংসদে থাকা জামায়াতের নারী এমপিদের মতো হিজাব ও বোরকা পরিয়ে অন্ধকারে রাখা যাবে নারীদের, নিকাহ আল-মুত‘আ-এর নামে জামায়াতের নেতারা যেভাবে তাঁর সংসদে থাকা নারীদের সাথে হালাল যৌনতা উপভোগ করে, এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে।
উল্লেখ্য, বিগত সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থা থেকেই সারাদেশে এই জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতসহ রাজনৈতিক ইসলামের দলগুলোর নেতৃত্বে রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে জিহাদি জঙ্গিরা কালো কালেমা-খচিত পতাকার মিছিল করেছে। সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আজকের পরিবর্তিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আবারও দীর্ঘ দুই দশক পর মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতার প্যারালালে।
রাজনৈতিক দল বিএনপিও এই জিহাদি জঙ্গিদের বিরোধী দল বানিয়ে দেশ পরিচালনা করছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ তালেবানি রাষ্ট্র কিংবা আফগানিস্তান হতে সময় লাগবে না।
বাংলাদেশ হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁর মতো এসব মুসলিম সন্ত্রাসীদের আর বাংলাদেশে দেখতে চায় না। যেখানে বেছে বেছে অমুসলিমদের জবাই করা হয়েছিল। তারপরও ৭ জন মুসলমানকে হত্যা করেছিল কালেমা বলতে না পারার কারণে। গুলি করার পরও জবাই করেছিল একে একে সবাইকে। এসব ইসলামি সন্ত্রাসীদের বর্বরতা দেখে হতবাক হয়েছিল বাংলাদেশের সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও গোষ্ঠীর মানুষ। আজকে জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতের মতো ধর্মের টুপি পরা, শরিয়ার নামে এইসব জিহাদি শুকরদের সাথে বিএনপির রাজনৈতিক সমঝোতা আগামীর বাংলাদেশকে বিপর্যয়ের দিকেই নিয়ে যাবে।
@ahm39953912
আমার সর্বশেষ সকল আপডেট ও চিন্তাভাবনা এক্স (টুইটার)-এ সরাসরি পেতে ফলো করুন।
Follow on X