সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন

মসজিদ, মাদ্রাসার নামে এসব পতিতপল্লি বন্ধ করতে হবে

সানিমুল হাসিব জাকি
প্রকাশিত : সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন

মাদ্রাসায় শিশুর আত্মহত্যাঃ ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার।
তথ্যসূত্রঃ (বিডিনিউজ২৪.কম, ২১ মে ২০২৬)

সংবাদপত্রের এমন শিরোনামই বলে দেয় বর্তমানে বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো মূলত শিশু ধর্ষণালয়।

কওমি মাদ্রাসা সহ মসজিদ, হেফজখানার মতো ধর্মীয় পতিতালয়, উগ্রবাদ ও চরমপন্থা তৈরির স্থানগুলোতে যে শিক্ষকরা ধর্ষণ করে, সে শিক্ষকরাও এক সময় ছাত্রাবস্থায় ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। মাদ্রাসার এই ধর্ষণচক্র ও বলাৎকারচক্র দিন দিন ভয়ংকর আকার ধারণ করছে।

এসব কথিত পাপাচারের ধর্ম, ধর্ষণকামী নবী মুহাম্মদের ধর্ম ইসলাম যতদিন থাকবে, ধর্মীয় এসব মসজিদ, মাদ্রাসাগুলো যতদিন থাকবে ততদিন শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার থাকবে।

সময়ের সঙ্গে রাষ্ট্র, সমাজ ও পারিবারিক আবহে যত বেশি ইসলাম বাড়ছে, তত বেশি শিশু ধর্ষণ, শিশু হত্যা, নারী নির্যাতন, নারী হত্যা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতা বাড়ছে। এইসব অপরাধের সঙ্গে ইসলামের সম্পর্ক অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ। মসজিদ, মাদ্রাসাগুলোকে ঘিরে চলে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড। ধর্মীয় রাজনীতির অন্তরালে মৌলবাদ, উগ্রবাদ, চরমপন্থা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের চর্চা চলে এসব প্রতিষ্ঠানে।

ইসলাম মানবাধিকার, নারীর অধিকার ও শিশু ধর্ষণের বিষয়ে কোনো জ্ঞান দেয় না। দ্বীন ইসলামের প্রচারক নবী মুহাম্মদ স্বয়ং নিজে ছিলেন শিশু ধর্ষক। শিশু আয়েশাকে (৬ বছর বয়স) ধর্মের দোহাই দিয়ে কথিত নবীর যৌনাচারের পুঁথি কোরআনে আয়াত পয়দা করে নিজের লিঙ্গ ঢুকিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে শিশু আয়েশার যোনি। ভার্জিন যোনির গন্ধে উন্মুখ ছিল নবী মুহাম্মদ। শিশু আয়েশার আর্তচিৎকার এক বীভৎস আনন্দ দিত নবী মুহাম্মদকে। তাই কথিত লিঙ্গধর্ম ইসলামে শিশু ধর্ষণ বৈধ, স্ত্রী ধর্ষণ বৈধ।

ইসলামে নারী, শিশু, স্ত্রী, কন্যাদের প্রতি বিদ্বেষ এত বেশি পরিপূর্ণ যে নবী মুহাম্মদও ১১ স্ত্রীর সঙ্গে গুচ্ছ চোদাচুদির পরও ২ যৌনদাসী ও যুদ্ধে বন্দিনীদের রেপ করত দলবেঁধে পঙ্গপালের মতো। এমনই চোদনবাজ ছিলেন মুসলমানের প্রিয় নবী, পেয়ারের নবী মুহাম্মদ।

আজকের বর্তমান বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোও তাই এক একটি পতিতালয়। ধর্মীয় যৌনালয়। এসব মুসলমানেরা তাই আজ মেয়েশিশু ধর্ষণ, হত্যা, বলাৎকার, বহুবিবাহের নামে নারীদের অধিকার হরণকে কোনো অপরাধ মনে করে না। ইসলাম বলে নামাজ, রোজা করলে, হজ করলে সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। এসব কথিত বিধানই মানুষকে অপরাধপ্রবণতা দেয়।

মসজিদ, মাদ্রাসার নামে এসব পতিতপল্লি বন্ধ করতে হবে। এদের ধর্ম এদের লিঙ্গকে দু-উরুর মাঝখান থেকে তুলে নিয়ে একেবারে মগজ আর নবী মুহাম্মদের পাছায় ঢুকিয়ে ফেলে।

এদের কাছে কি প্রাপ্তবয়স্ক, কি শিশু—সবাই যৌনবস্তু। বেহেশত নামক কাল্পনিক পতিতালয়ে ৭২ হূরের যোনির গন্ধ এদের মাথায় উঠে গিয়েছে। এ লোভ তাদের পক্ষে সামলানো অসম্ভব।


আরও পড়ুন