সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক মৌলবাদী, উগ্রবাদী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীর আগ্রাসন চলছে।
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে নবী মুহাম্মদের ১১ স্ত্রী, ২ যৌনদাসী এবং যুদ্ধে বন্দিনী ধর্ষিত নারীদের রূহানী জারজ সন্তান জামায়াতে ইসলামীসহ হেফাজতে ইসলাম, চরমোনাই, খেলাফতে মজলিশের মতো দ্বীন ইসলামের শুকরদের ধর্মীয় নগ্নতা গ্রাস করছে একটি প্রজন্মকে।
৫৭ হাজার বর্গমাইলের দেশে মানুষের চেয়ে ধর্মের টুপির সংখ্যা বেশি। ধর্মান্ধ এই মুসলমানদের উন্মাদনা ছড়িয়েছে কুরআন, শরিয়াহ আইন ও কালেমার পতাকা উত্তোলনে। এসব মুসলমান জিহাদি, জঙ্গি এবং উগ্র।
সারাদেশে ধর্মীয় পতিতালয় মাদ্রাসা ও মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে। যেখান থেকে নিয়মিত প্রতিদিন পাঁচবার করে আজানের শব্দে বেশ্যার কান্না উচ্চারিত হয়। যা এই ধর্মান্ধদের উন্মাদনাকে বাড়িয়েছে বহুগুণে।
ডেনমার্কের মতো দেশে প্রকাশ্যে আজানকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের মতো দেশে রাস্তা আটকে নামাজ পড়া, ভিক্ষাবৃত্তি করে মসজিদ বানানো, ইসলামের যৌনাগার মাদ্রাসা বানানো, বোরখা, হিজাব—এসব সবই নিষিদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। সভ্যতাকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইলে উগ্র ইসলামকে দমন করতে হবে।
@ahm39953912
আমার সর্বশেষ সকল আপডেট ও চিন্তাভাবনা এক্স (টুইটার)-এ সরাসরি পেতে ফলো করুন।
Follow on X