দ্বীন ইসলামের নামে ধর্ষণ উম্মতে মুহাম্মদীর কাছে পবিত্র কর্ম। মসজিদ, মাদ্রাসা, হেফজখানা সহ বাংলাদেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইসলাম, কুরআন, হাদিস শিক্ষার নামে চলে কাঠমোল্লাদের অবাধ যৌনাচার। এসব প্রতিষ্ঠান পরিণত হয়েছে ধর্মীয় বেশ্যালয়ে। এরা ইসলামী ধর্ষক।
নবী মুহাম্মদের জীবনে নারীদের প্রতি কামনা-বাসনার দলিল কুরআন। যৌন গল্পের কেতাব পড়তে গিয়ে বিভিন্ন সূরার বর্ণনায় সর্বউৎকৃষ্ট হেরেমখানা জান্নাতুল ফেরদাউসে হূরদের শারীরিক বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে।
বিশেষ করে সূরা আন-নাবা ৭৮:৩৩—জান্নাতের পুরস্কারের মধ্যে হূরদের “সমবয়সী উদারবক্ষ তরুণী”—তাদের আগে কোনো মানুষ বা জিন স্পর্শ করেনি, পূর্ণযৌবনা নারীগণ, এমন যুবতী নারী, যাদের স্তন যৌবনে পূর্ণ ও উঁচু হয়েছে—এবং অনন্ত সময় ধরে তাদের সাথে যৌনসঙ্গম করা যাবে। এমন সব যৌন উত্তেজক গল্পের পর ধর্মের লিঙ্গ উত্থিত হয় মাওলানাদের। আল্লাহর নাম নিয়ে বলাৎকারে লিপ্ত হয় মাদ্রাসায় পড়ুয়া নাবালক শিশুদের সাথে।
কারণ জান্নাতে কথিত ৭২ হূরের সাথে যৌনসঙ্গমের কামনা ও নগ্ন হূরদের অবাধ ধর্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। এবং লিঙ্গ পরিচয়হীন আল্লাহ স্বয়ং তাঁর বান্দার এ ধর্ষণ উপভোগ করবেন।
কিন্তু ধর্মের নামে, ইসলামের নামে, এপস্টিন নবী মুহাম্মদের নামে তারা পৃথিবীকে জান্নাত বানাতে বদ্ধপরিকর। মহান আল্লাহ তায়ালা যেহেতু কুরআনের কোথাও শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের কথা বলেননি, সেহেতু তা বৈধ। স্বয়ং নবী মুহাম্মদ ছিলেন ধর্ষক, একজন শিশু ধর্ষক।
মাত্র ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে দেখে নবী মুহাম্মদ তাঁর যৌন বাসনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। কথিত যৌনাচারের কেতাব কুরআনে আয়াত নাজিল করলেন কথিত আল্লাহর হয়ে স্বয়ং নিজে। ধর্মের দোহাই দিয়ে বিয়ে করলেন আয়েশাকে। আয়েশাকে বিয়ের নামে ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগেই নিজের লিঙ্গ আয়েশার যোনিতে প্রবেশ করিয়ে কাঁচা রক্তের উন্মাদনা নিলেন। এবং স্বয়ং মুসলমানের আল্লাহকে বানালেন ধর্ষণের নির্দেশদাতা।
মুসলমানের আল্লাহ কত মহান! যিনি তাঁর নবীর যৌনতার কষ্টও আরশে আজিম থেকে উপলব্ধি করে শিশু ধর্ষণের অনুমতি প্রদান করেন।
আজকের বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তবতাও তাই। যে যত ধর্ম করে, সে তত কুকর্ম করে। এসব কুরআন ও ধর্মচর্চার নামে মসজিদ, মাদ্রাসা ও হেফজখানার মতো দৌলতদিয়ার যৌনপল্লিগুলো বন্ধে এ দেশের সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে।
@ahm39953912
আমার সর্বশেষ সকল আপডেট ও চিন্তাভাবনা এক্স (টুইটার)-এ সরাসরি পেতে ফলো করুন।
Follow on X